- কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া অভিযোগ করেছেন যে বিচার বিভাগ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্পৃক্ততার তথ্য গোপন করছে এবং তাকে কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে হবে বলে দাবি করেছেন।
- এনপিআর ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তদন্তে দেখা গেছে, এপস্টিন ফাইলস থেকে ট্রাম্প-সম্পর্কিত কিছু নথি বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে অভিযোগ রয়েছে যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের নথি প্রকাশ করা হয়নি।
- সিএনবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক নারীর দাবি অনুযায়ী ট্রাম্প তাকে অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। এই সাক্ষাৎকারের নথি এপস্টিন ফাইলস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
- পরে বিচার বিভাগ কিছু নথি প্রকাশ করেছে, তবে সেগুলোকে “অপ্রমাণিত অভিযোগ” হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আইনি ও রাজনৈতিক প্রভাব
- আইনি দিক: এপস্টিন ফাইলস প্রকাশের জন্য ২০২৫ সালে একটি আইন পাস হয়েছিল, যাতে সব অশ্রেণিবদ্ধ নথি প্রকাশের নির্দেশ ছিল। কিন্তু ট্রাম্প-সম্পর্কিত নথি বাদ দেওয়া হওয়ায় আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
- রাজনৈতিক দিক: কংগ্রেসে বিরোধী দল প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।
- জনমত: যুক্তরাষ্ট্রে জনসাধারণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কি সমানভাবে তদন্ত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে গোপন রাখা হয়।
বৈশ্বিক প্রভাব
- আন্তর্জাতিক আস্থা: এপস্টিন কেলেঙ্কারি বহু বছর ধরে বিশ্বজুড়ে আলোচিত। ট্রাম্পের নাম উঠে আসায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
- বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে প্রতিক্রিয়া: এ ধরনের ঘটনা দেখায় যে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগও আইনের আওতায় আসা উচিত। এটি বিশ্বব্যাপী আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষার গুরুত্বকে সামনে আনে।
উপসংহার
এপস্টিন ফাইলস নিয়ে বিতর্ক শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম উঠে আসা এবং নথি গোপনের অভিযোগ বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার ওপর বড় প্রশ্ন তুলেছে।