হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত ভাবছে ইরান, ট্রাম্পের মুখে চিন্তার ভাজ:-
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তেল পরিবহন নিয়ে নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এক উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সীমিতসংখ্যক তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে প্রণালীটি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে তেহরান।
তবে এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, তেলের মূল্য পরিশোধ করতে হবে চীনের মুদ্রা ইউয়ান-এ। এর মাধ্যমে তেল বাণিজ্যে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোরও ইঙ্গিত দিচ্ছে ইরান।
সূত্রের দাবি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল আংশিকভাবে সহজ করতে সরকার একটি নতুন নীতিগত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। যদিও এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বিশ্ববাজারে তেলের লেনদেন সাধারণত মার্কিন ডলারে সম্পন্ন হয়। তবে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া ইতোমধ্যে তেলের বাণিজ্যে রুবল ও ইউয়ান ব্যবহারের দিকে ঝুঁকেছে। বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির বড় অংশই এই পথ দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছে। ফলে প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলে বিশ্ববাজারে তেলের দামে দ্রুত প্রভাব পড়ে।
সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বর্তমান দাম, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এদিকে চীনা মুদ্রায় তেলের দাম পরিশোধ মানেই ধীরে ধীরে ডলারের পতনের দিকে যাবে.... যুদ্ধ যে শুধু অস্ত্র দিয়ে হয়না সেটা এখন হারে হারে বুঝতে পারছে ডোনাল্ড ট্রাম্প... চীন এবং রাশিয়া ধীরে ধীরে কৌশলগতভাবে ইরানের পক্ষে তাদের অবস্থান শক্ত করছে...!! সবমিলিয়ে আগামীতে আমেরিকার জন্য খারাপ সময় অপেক্ষা করছে তাদের এই আগ্রাসন হয়তো খুব দ্রুতই ফুরিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ্।