মুসলমানদের শোক কাটিয়ে উঠতেও কমপক্ষে ৩দিন সময় লাগে। অথচ মা, বাবা, বোন, ভগ্নিপতি হারিয়েও এই মোজতবা খামেনি এই লোকটা কয়েক ঘন্টার মধ্যে দায়িত্ব নিয়ে কী সুন্দর নির্ভীকভাবে হাই-কমান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছে, বিষয়টা বড় অদ্ভুত!
যে সব হারিয়েছে তার হারানোর আর কিছুই থাকেনা। তাই তো ইরানের নেক্সট অপারেশনগুলো হচ্ছে দুর্বার, দূর্ভেদ্য, দুর্বোধ্য ও দূরদর্শী..
প্রিভিয়াস জেনারেশনের মিসাইল শেষ হলেই তারা লঞ্জ করবে নেক্সট জেনারেশনের মিসাইল। বিশ্বে কোনো ইসলামী রাষ্ট্র এতটা সেল্ফ- ডিফেন্ডেন্ট আছে আমার আগে আইডিয়া ছিল না।
সম্পূর্ণ নিজেদের অর্থায়নে নিজেদের প্রচেষ্টায় নিজেদের টেকনোলজিতে ইরান যেই ওয়েপেন্স বানিয়ে নিয়েছে তা দিয়ে নন-স্টপ ১০বছর ফাইট করলেও ফুরাবেনা মর্মে একটি বিবৃতি দেখলাম একজন ইরানি কমান্ডারের। এসব দেখে আপনাদের কেমন লাগে জানিনা বাট আমার গর্বে বুক ফুলে যায়।
বুক ফুলিয়ে আনন্দ উল্লাস করতেই পারেন,আমিও মনে প্রানে চাই যে ইরানের জনগণের উপর আল্লাহর রহমত নাজিল হোক। কিন্তু দুঃখও কম নেই! আরব জাহানের শক্তি সামর্থ্য ধ্বংস করেছে এ-ই শাসক গুষ্টি। সাদ্দাম পতনের কারিগর এই শাসক গুষ্টি। ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে হামাস সৃষ্টি এ-ই শাসকদের, যার কারনে গাজাবাসীরা ধ্বংসাত্মক পরিনতি ভোগ করতে হয়। এ-ই শাসক গুষ্টি প্রথমেই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়ে সুন্নি মুসলমান সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন,গণহত্যায় ইসরায়েলের সুযোগ তৈরি করে দেয়। আজ তাদেরকে চীন,রাশিয়ার কাছে হাত বাড়াতে হচ্ছে, অথচ সাদ্দামের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করলে আমেরিকার পতন চিরতরে আরব জাহানে তখনই হতো,যাতে আমেরিকার সাহস দ্বিতীয় বার হতো না। তবুও বলবো, আল্লাহ ইরানের জয় দিন।